ABOUT US

 ধারা-১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম,  ব্যাপ্তি বা প্রয়োগ এলাকা এবং কাযৃকারিতাঃ

 (১) এ আইন ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইন নামে পরিচিত হবে।

(২) এ আইন সমগ্র বাংলাদেশে প্রয়োজ্য হবে; তবে সরকার কর্তৃক কোন জেলা বা এলাকাকে এ আইনের আওতা বহির্ভূত       হিসেবে ঘোষনা করা হলে, সে সকল জেলা বা এলাকায় এ আইন প্রয়োগযোগ্য হবে না।

(৩)  এ আইন ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারি হতে বলবৎ বা কার্যকর হবে।


    নোট (১) পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৪৯ সালে এ আইনটি অভিযোজন (adapted) করা হয়। পরবর্তীতে আইনটি সময় উপযোগী করার লক্ষ্যে ১৯৫০ সালে, ১৯৫৭ সালে, ১৯৬০ সালে, এবং ১৯৬২ সালে এ আইনে বিভিন্ন সংশোধন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর গণপ্রজাতর্ন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আইনটি বাংলাদেশের গৃহীত ও বলবৎ হয়েছে।

    উল্লেখ্য, রেজিস্ট্রেশন আইনটি ১৯৮৫ সালে, ২০০২ সালে, ২০০৪ সালে, ২০০৬ সালে এবং ২০১২ সালে সংশোধিত হয়েছে। ব্যবহারকারীবৃন্দের সুবিধার্থে রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর মূল আইন (ইংরেজীতে) এবং সংশোধনীসমুহ যথাক্রমে পরিশিষ্ট ১,২,৩,৪,৫ এবং ৬ এ সন্নিবেশ করা গেল।    

    নোট (২) এ আইনের প্রয়োগ হতে পার্বত্য চট্রগ্রাম অর্থাৎ রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবন জেলাকে বহির্ভূত রাখা হয়েছে।


Comments

Popular posts from this blog

এওয়াজ বা বিনিময় দলিলসহ সকল দলিলের রেজিস্ট্রি খরচসহ অন্যান্য তথ্য জানুন।

হেবা/দানের ঘোষণাপত্র দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিস